ডা. শ্যাম এন. গুপ্তা

ইন্দিরা আইভিএফ · জে.পি. নগর, বেঙ্গালুরু

ডা. শ্যাম এন. গুপ্তা

ফার্টিলিটি ও আইভিএফ বিশেষজ্ঞ · গাইনোকোলজিক্যাল এন্ডোস্কোপিক সার্জন

এমবিবিএস · এমডি (প্রসূতি ও স্ত্রীরোগ) · FIAGE · FMAS

ইন্দিরা আইভিএফ, জে.পি. নগর, বেঙ্গালুরুর সেন্টার হেড এবং ইন্দিরা আইভিএফ দক্ষিণ ভারতের জোনাল ডিরেক্টর। যাঁদের চিকিৎসা একবার নয়, বারবার ব্যর্থ হয়েছে — মূলত তাঁদের জন্য।

15,000+ডিম্বাণু সংগ্রহ
10,000+ভ্রূণ স্থানান্তর
11,000+হিস্টেরোস্কোপি
12 বছরঅভিজ্ঞতা

বাংলায় বিস্তারিত

পরিচয়

পরিচয়

ডা. শ্যাম এন. গুপ্তা প্রজনন চিকিৎসা ও আইভিএফ-এর বিশেষজ্ঞ। ত্রিভুবন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমবিবিএস, ধরানের বি.পি. কৈরালা স্বাস্থ্য বিজ্ঞান প্রতিষ্ঠান থেকে এমডি (প্রসূতি ও স্ত্রীরোগ), লন্ডনের রয়্যাল কলেজ অব অবস্টেট্রিশিয়ানস অ্যান্ড গাইনোকোলজিস্টস-এর MRCOG প্রথম পর্ব, এবং পুরুষ বন্ধ্যত্বে উচ্চতর প্রশিক্ষণ ব্রাজিলের ANDROFERT থেকে।

বারো বছরের অনুশীলনে তিনি 15,000-এর বেশি ডিম্বাণু সংগ্রহ এবং 10,000-এর বেশি ভ্রূণ স্থানান্তর তত্ত্বাবধান করেছেন। তবে তাঁর মূল কাজ সাধারণ আইভিএফ নয়। যে ক্ষেত্রগুলি অন্যত্র ব্যর্থ হয়েছে, সেগুলিই তাঁর কাজের কেন্দ্রে। এই রোগীদের প্রশ্নটা আসলে “আর একবার চেষ্টা করব কি?” নয় — প্রশ্নটা হল, “আগেরবার কেন হল না?”

প্রজনন ইমিউনোলজি, পুরুষ বন্ধ্যত্ব ও আইভিএফ স্টিমুলেশন নিয়ে তাঁর ষোলোটি গবেষণাপত্র প্রকাশিত, এবং ASRM, ESHRE ও ASPIRE-এ উপস্থাপিত। পরপর চার বছর তিনি জাতীয় ফার্টিলিটি পুরস্কার পেয়েছেন।

ভাষা নিয়ে দুশ্চিন্তার দরকার নেই। পরামর্শ ইংরেজি বা হিন্দিতে হতে পারে, ডা. গুপ্তা ব্যবহারিক বাংলা বোঝেন, এবং কেন্দ্রের কর্মীরা সাহায্য করেন। সম্মতিপত্র, ওষুধের সময় আর কঠিন সিদ্ধান্তগুলো আপনি বুঝে নিয়ে তবেই এগোবেন — সেটাই চিকিৎসার একটা অংশ।

প্রশিক্ষণ

এমবিবিএস

ত্রিভুবন বিশ্ববিদ্যালয়

এমডি (প্রসূতি ও স্ত্রীরোগ)

বি.পি. কৈরালা স্বাস্থ্য বিজ্ঞান প্রতিষ্ঠান, ধরান

MRCOG প্রথম পর্ব

রয়্যাল কলেজ অব অবস্টেট্রিশিয়ানস অ্যান্ড গাইনোকোলজিস্টস, যুক্তরাজ্য

পুরুষ বন্ধ্যত্ব ডিপ্লোমা

ANDROFERT, ব্রাজিল

চিকিৎসা

কোন সমস্যার চিকিৎসা

বারবার ভ্রূণ না বসা

ভালো মানের ভ্রূণ স্থানান্তরের পরেও গর্ভ না থাকলে জরায়ুর ভিতরের স্তর, সংক্রমণ ও রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থার দিক থেকে কারণ খোঁজা হয়।

বারবার গর্ভপাত

দুই বা তার বেশি গর্ভপাতের পরে ক্রোমোজোম, থ্রম্বোফিলিয়া, থাইরয়েড ও জরায়ুর গঠন — সবকিছুই একসঙ্গে দেখা হয়।

পুরুষ বন্ধ্যত্ব

বীর্য বিশ্লেষণ, ডিএনএ খণ্ডীকরণ, হরমোন, এবং প্রয়োজনে TESA ও PESA-র মাধ্যমে শুক্রাণু সংগ্রহ।

কম এএমএইচ ও কম ডিম্বাশয় সঞ্চয়

কম সংখ্যক ডিম্বাণুতে কী কী পথ খোলা থাকে, এবং কোন স্টিমুলেশন প্রোটোকল আপনার ক্ষেত্রে যুক্তিসঙ্গত।

পিসিওএস

ওজন, ইনসুলিন ও ডিম্বস্ফোটন — আইভিএফ-এ যাওয়ার আগে কতটা সামলানো যায়।

এন্ডোমেট্রিওসিস ও ফাইব্রয়েড

ল্যাপারোস্কোপি ও হিস্টেরোস্কোপি — কোন ক্ষেত্রে অস্ত্রোপচার ফল বদলায় আর কোন ক্ষেত্রে বদলায় না।

প্রজনন ইমিউনোলজি

CD138, NK কোষ ও অটোইমিউন পরীক্ষা — অকারণে নয়, ইতিহাস যেখানে ইঙ্গিত দেয় সেখানে।

ফার্টিলিটি সংরক্ষণ

ক্যানসার চিকিৎসার আগে বা পরিকল্পিতভাবে দেরি করার ক্ষেত্রে ডিম্বাণু ও ভ্রূণ হিমায়িত করা।

পরের পদক্ষেপ

চিকিৎসা বারবার ব্যর্থ হয়েছে?

একই চিকিৎসা আবার করলে আলাদা ফল আসে না। চক্রের পর চক্র ব্যর্থ হয়ে থাকলে প্রশ্নটা “আর একবার চেষ্টা করব কি?” নয় — প্রশ্নটা হল, “আগেরবার কেন হল না?” সেই উত্তর না জেনে আর একটা চক্র মানে আর একবার অপেক্ষা।

বেঙ্গালুরুতে সেই উত্তর খোঁজার সরঞ্জাম এক জায়গাতেই আছে — জরায়ুর ভিতরের স্তরের বিস্তারিত মূল্যায়ন, দীর্ঘস্থায়ী এন্ডোমেট্রাইটিসের জন্য CD138, প্রজনন ইমিউনোলজি পরীক্ষা, শুক্রাণুর ডিএনএ খণ্ডীকরণ, TESA ও PESA, এবং আন্তর্জাতিক মানের এমব্রায়োলজি ল্যাব।

সময়ই সবচেয়ে মূল্যবান

টাকা আবার রোজগার করা যায়। সময় ফিরিয়ে আনা যায় না। প্রজনন চিকিৎসায় এটা কেবল কথার কথা নয় — বয়সের সঙ্গে ডিম্বাণুর সংখ্যা আর মানও কমে, আর হারানো একটা বছর ফেরত আসে না।

তাই কারণ না জেনে তিনবার চেষ্টা করার চেয়ে, একবার ঠিকমতো পরীক্ষা করে এগোনোই তিনটেই বাঁচায় — সময়, শক্তি আর খরচ। আপনার সোনালি সময়টা অপেক্ষায় কাটাবেন না।

কখন বেঙ্গালুরু আসা যুক্তিসঙ্গত

যাত্রা

যাত্রা ও ভিসা

পশ্চিমবঙ্গ থেকে আসছেন? কোনও ভিসা লাগে না — কলকাতা, শিলিগুড়ি, আসানসোল বা দুর্গাপুর থেকে বেঙ্গালুরু একটি অভ্যন্তরীণ উড়ান। বাংলাদেশ থেকে এলে ভারতীয় মেডিক্যাল ভিসা লাগবে, এবং তার জন্য হাসপাতালের আমন্ত্রণপত্র প্রয়োজন। সেটি আমরা দিই — আগে পরামর্শ, তারপর চিঠি।

স্টিমুলেশন চক্রে প্রথম ইঞ্জেকশন থেকে ডিম্বাণু সংগ্রহ পর্যন্ত সাধারণত 12 থেকে 14 দিন লাগে। টিকিট কাটার আগে রিপোর্ট পাঠিয়ে একটি ভিডিও পরামর্শ করে নিন — কতদিন থাকতে হবে, কী কী পরীক্ষা বাকি, আর আদৌ আসার দরকার আছে কি না, সেটা আগেই পরিষ্কার হয়ে যাবে।

রোগীরা যেখান থেকে আসেন

বাংলাদেশ

ঢাকা চট্টগ্রাম সিলেট খুলনা রাজশাহী রংপুর বরিশাল ময়মনসিংহ কুমিল্লা নারায়ণগঞ্জ

পশ্চিমবঙ্গ ও উত্তর-পূর্ব ভারত

কলকাতা হাওড়া শিলিগুড়ি আসানসোল দুর্গাপুর বর্ধমান মালদা খড়্গপুর আগরতলা গুয়াহাটি

প্রথম পরামর্শে কী নিয়ে আসবেন

ইন্দিরা আইভিএফ, উডিজ বিল্ডিং, তৃতীয় তল, প্লট নং 45/1-1, ব্যাঙ্গালোর সেন্ট্রাল মলের কাছে, জে.পি. নগর, বেঙ্গালুরু 560078, কর্ণাটক, ভারত

আইন

ভারতের আইন কী বলে

বিদেশি নাগরিকের জন্য সারোগেসি ভারতে উপলব্ধ নয় — সারোগেসি (নিয়ন্ত্রণ) আইন 2021 অনুযায়ী। এআরটি (নিয়ন্ত্রণ) আইন 2021 অনুযায়ী ডিম্বাণু বা শুক্রাণু কেনাবেচা করা যায় না; দাতার উপাদান শুধুমাত্র নথিভুক্ত ব্যাঙ্ক থেকেই আসে। চিকিৎসার বয়সসীমা মহিলাদের 21 থেকে 50 এবং পুরুষদের 21 থেকে 55। এবং PCPNDT আইন 1994 অনুযায়ী সন্তানের লিঙ্গ নির্বাচন ভারতে সম্পূর্ণ বেআইনি — কেউ প্রস্তাব দিলে বুঝবেন, জায়গাটা ভুল।

বাড়ি ফেরার পরে

এখানে শুরু হওয়া গর্ভাবস্থার যত্ন আপনার নিজের শহরেই চলতে পারে। সম্পূর্ণ চক্রের নথি, ওষুধের তালিকা আর পরবর্তী পদক্ষেপ লিখিতভাবে দেওয়া হয়, যাতে আপনার স্থানীয় চিকিৎসক বুঝে নিতে পারেন। প্রশ্ন থাকলে হোয়াটসঅ্যাপে যোগাযোগ করা যায়।

প্রশ্ন

সাধারণ প্রশ্ন

বাংলাদেশ থেকে চিকিৎসার জন্য ভারতে আসতে কী লাগে?
ভারতীয় মেডিক্যাল ভিসা, এবং তার সঙ্গে হাসপাতালের আমন্ত্রণপত্র। পরামর্শের পরে সেই চিঠি দেওয়া হয়। সঙ্গীর জন্যও আলাদা ভিসা লাগে, কারণ পুরুষ সঙ্গীর পরীক্ষা ও নমুনা চক্রের অংশ।
পশ্চিমবঙ্গ থেকে এলে কি আলাদা কিছু লাগে?
না। এটি ভারতের ভিতরেই যাত্রা — কোনও ভিসা বা অনুমতি লাগে না। কলকাতা বা শিলিগুড়ি থেকে একটি উড়ানেই বেঙ্গালুরু পৌঁছনো যায়।
কতদিন থাকতে হবে?
স্টিমুলেশন চক্রে প্রথম ইঞ্জেকশন থেকে ডিম্বাণু সংগ্রহ পর্যন্ত সাধারণত 12 থেকে 14 দিন। হিমায়িত ভ্রূণ স্থানান্তর হলে তার চেয়ে কম — তবে সঠিক দিন সংখ্যা আপনার রিপোর্ট দেখে বলা হয়।
আগে দুইবার আইভিএফ ব্যর্থ হয়েছে। আবার একই চেষ্টা করে লাভ আছে?
কারণ না জেনে আবার একই চক্র করলে ফল বদলানোর কারণ নেই। আগে দেখা হয় — ভ্রূণের মান, জরায়ুর ভিতরের স্তর, দীর্ঘস্থায়ী এন্ডোমেট্রাইটিস, রোগ প্রতিরোধজনিত কারণ, শুক্রাণুর ডিএনএ। তারপরেই পরবর্তী পদক্ষেপ ঠিক হয়।
বারবার চেষ্টা করলে কি সময় নষ্ট হয়?
হতে পারে, এবং সেটাই সবচেয়ে বড় ক্ষতি। বয়সের সঙ্গে ডিম্বাণুর সংখ্যা ও মান দুটোই কমে। তাই কারণ খুঁজে নিয়ে একটি সুপরিকল্পিত চক্র, কারণ না জেনে তিনটি চক্রের চেয়ে ভালো।
সারোগেসি করানো যাবে?
বিদেশি নাগরিকের জন্য ভারতে সারোগেসি উপলব্ধ নয় — সারোগেসি (নিয়ন্ত্রণ) আইন 2021। ভারতীয় নাগরিকদের ক্ষেত্রেও আইনে নির্দিষ্ট শর্ত আছে, যা পরামর্শে বিস্তারিত বলা হয়।
সন্তানের লিঙ্গ নির্বাচন করা যায়?
না। PCPNDT আইন 1994 অনুযায়ী ভারতে এটি সম্পূর্ণ বেআইনি। কোনও কেন্দ্র এই প্রস্তাব দিলে সেখান থেকে সরে আসাই বুদ্ধিমানের কাজ।
বাংলায় কথা বলা যাবে?
পরামর্শ ইংরেজি বা হিন্দিতে হয়; ডা. গুপ্তা ব্যবহারিক বাংলা বোঝেন এবং কেন্দ্রের কর্মীরা সাহায্য করেন। যা বুঝতে অসুবিধা হচ্ছে, থামিয়ে জিজ্ঞাসা করুন — সেটাই স্বাভাবিক।

এই পৃষ্ঠায় মূল তথ্য বাংলায় আছে। প্রতিটি অবস্থার বিস্তারিত ব্যাখ্যা, গবেষণাপত্র ও রোগীদের প্রশ্নোত্তর ইংরেজিতে রয়েছে। ইংরেজিতে সম্পূর্ণ ওয়েবসাইট

আরও

বিস্তারিত তথ্য (ইংরেজিতে)

প্রতিটি অবস্থার পূর্ণ ব্যাখ্যা — কোন পরীক্ষা, কোন কারণ, কোন চিকিৎসা — ইংরেজি পৃষ্ঠাগুলিতে রয়েছে।

যোগাযোগ

সময় নিতে

ফোন বা হোয়াটসঅ্যাপ করুন — দুটোর জন্য একই নম্বর। রিপোর্ট আগে পাঠিয়ে দিলে প্রথম কথাবার্তাতেই কাজের কথা হয়।